পিংক সল্টের উপকারিতা
১. খনিজ সমৃদ্ধ
পিংক সল্টে ৮০টিরও বেশি প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান রয়েছে, যেমন ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, এবং আয়রন।
এই খনিজগুলো শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক।
২. শরীরের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখা
পিংক সল্ট শরীরের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখে।
এটি অম্লতা কমাতে সহায়তা করে এবং শরীরকে ক্ষারীয় রাখতে সাহায্য করে।
৩. হজম শক্তি উন্নত করে
পিংক সল্ট পাচনতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
এটি পিত্ত এবং এনজাইম উৎপাদন বাড়িয়ে হজমশক্তি উন্নত করে।
৪. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
সাধারণ টেবিল লবণের তুলনায় পিংক সল্ট কম প্রক্রিয়াজাত হওয়ায় এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।
এটি শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়ামের প্রভাব কমায়।
৫. ত্বকের যত্ন
পিংক সল্ট স্ক্রাব বা বাথ সল্ট হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বকের মৃত কোষ দূর হয় এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়।
এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে এবং ব্রণ কমাতে সহায়ক।
৬. শরীরের ডিটক্সিফিকেশন
পিংক সল্ট শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।
এটি লিভার ও কিডনিকে কার্যকরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
৭. শ্বাসতন্ত্রের জন্য উপকারী
পিংক সল্ট ব্যবহারে শ্বাসতন্ত্র পরিষ্কার হয় এবং হাঁপানি বা সাইনাসের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
অনেক ক্ষেত্রে “সল্ট ইনহেলার” হিসেবে পিংক সল্ট ব্যবহার করা হয়।
৮. ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করে
পিংক সল্টে থাকা খনিজ উপাদান স্ট্রেস কমাতে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়ক।
৯. ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক রাখে
শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং হাইড্রেশন বাড়াতে পিংক সল্ট কার্যকর।
১০. পেশি ব্যথা কমায়
গরম পানিতে পিংক সল্ট মিশিয়ে স্নান করলে পেশির ব্যথা ও ক্লান্তি দূর হয়।
পিংক সল্ট ব্যবহারের উপায়
রান্নায় ব্যবহার: সাধারণ লবণের পরিবর্তে রান্নায় ব্যবহার করুন।
বাথ সল্ট: এক বালতি গরম পানিতে ১-২ চা চামচ পিংক সল্ট মিশিয়ে স্নান করুন।
ডিটক্স ড্রিঙ্ক: এক গ্লাস পানিতে সামান্য পিংক সল্ট মিশিয়ে সকালে খেলে শরীরের ডিটক্সিফিকেশন হয়।
স্ক্রাব: পিংক সল্ট তেল মিশিয়ে ত্বকে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন।
